গল্পকুটির ওয়েব ডেস্ক|
ভারতে করোনার সংক্রমণ ৬০০০ ছাড়িয়েছে। দেশে এই মারণ ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে আগেই জারি হয়েছিল লকডাউন। কিন্তু এর পরেও যেভাবে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ছে তা আতঙ্কের বিষয়। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে এবার সরকারি তরফে কিছু কিছু স্থানকে কোভিড-১৯ হটস্পট বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সিল করে দেওয়া হয়েছে সেই এলাকাগুলিকে।
গত ৮ এপ্রিল, উত্তরপ্রদেশ সরকার মোট ১৫টি জেলার বেশ কিছু স্থানকে কোভিড-১৯ হটস্পট বলে চিহ্নিত করেছেন। এরপর ৯ এপ্রিল, দিল্লী সরকার সেখানকার প্রায় ২০টি জায়গাকে হটস্পট হিসাবে চিহ্নিত করেন এবং ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ওই জায়গাগুলিতে জারি রয়েছে ভিন্ন নিয়ম। যা লকডাউনের নিয়মকানুন থেকে কনেক গুণ কঠোর। এখন প্রশ্নের বিষয় হল কীভাবে চিহ্নিত করা হচ্ছে কোভিড হটস্পটগুলিকে?
টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোনও জেলার যে সকল স্থানগুলিতে ৬ জন বা তার থেকেও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছে, সেই স্থানগুলিকে সরকারি তরফে হটস্পট বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এমনটাই মনে করা হচ্ছে যে ওই সকল জায়গা থেকে করোনার সংক্রমিত হওয়ার সম্ভবনা প্রকট।
জেনে নিন কী নিয়ম জারি হয়েছে সেখানেঃ
হটস্পট এলাকাগুলিতে কঠোর নিয়ম জারি রয়েছে। যে সকল মানুষ এই মুহূর্তে কোভিড হটস্পটে বসবাস করছেন, তাদের বাড়ির বাইরে বেরোনো নিষেধ। এমনকি খাদ্য সামগ্রী বা মুদি, ওষুধ, সবজি বাজার সবকিছুই বন্ধ। কেউ সেই নিয়ম ভেঙে বাইরে বেরোলেই তার কঠোর শাস্তি হবে। বাইরে থেকে কারোর ওই এলাকায় প্রবেশ করা নিষেধ, আবার ওই এলাকা থেকে কারোর অন্যত্র যাওয়াও বারণ। এমনকি সাংবাদিকদেরও কোভিড হটস্পট স্থানে প্রবেশ সম্পূর্ণভাবে নিষেধ। জানা গিয়েছে, সরকারি তরফে ওই সকল জয়গায় বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী এবং ওষুধ। এছাড়া জরুরী অবস্থায় স্পেশাল পারমিশন নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করবে প্রশাসন।
ছবিঃ গেটি ইমেজ
