গল্প কুটির ওয়েব ডেস্ক |

বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে মারণ ভাইরাস করোনা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একে মহামারী ঘোষণা করেছে। বিশ্বের প্রতি প্রান্ত থেকেই কম বেশি মৃত্যুর খবর আসছে রোজ। আক্রান্তের সংখ্যাও লক্ষাধিক। ভারতেও এই রোগ দিন দিন বাড়ছে।

এই ভাইরাসের প্রতিষেধক না আবিষ্কার হওয়ার জন্য চিন্তার কারণ আরও বেশি। আক্রান্ত ব্যক্তির সঠিক চিকিৎসা কীভাবে হবে, তাই নিয়েই জোর পরীক্ষা চালাচ্ছেন গবেষকরা। এর মধ্যেই আশার আলো দেখাল যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহর। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিতে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনার ভাইরাসের প্রকৃতি বা ধরন জেনে ফেলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা। যে কারণে এই ভাইরাস এত শক্তিশালী ও সংক্রামক আকার ধারণ করছে, সেই জেনেটিক কোডটি নিয়েই গবেষণা করছেন তারা। সেইমতো একটি ভ্যাক্সিন বানিয়ে তার সেটা পরীক্ষাও করা হচ্ছে।

চিকিৎসক জন ট্রেগোনিং জানান, ” চেনা পদ্ধতি মেনেই ভ্যাক্সিনটি বানানো হয়েছে। সব দিক মাথায় রেখে এবং যাতে মানুষের কোনও ক্ষতি না হয়, সেভাবেই আমরা কাজটি এগিয়েছি। আমাদের মাথায় রাখতে হবে, ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হলে এখানে নাম কেনার কোনও প্রশ্ন নেই। গোটা মানবজাতির স্বার্থেই এটা যত দ্রুত সম্ভব বের করা দরকার। ”

অধিকাংশ প্রতিষেধক বা অ্যান্টিভাইরাসের মধ্যেই ভাইরাসের একটি জেনেটিক কোড বর্তমান থাকে। তবে জানা গিয়েছে, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় প্রাথমিক ভাবে mRNA-1273 নামের যে ভ্যাক্সিনটি বানানো হয়েছে, তার মধ্যে সেই কোডটি নেই, যার থেকে কভিড-১৯ ছড়াচ্ছে।

৪৩ বর্ষীয় এক মহিলার উপর এই পরীক্ষা করা হচ্ছে। তার হাতের মাসল-এ ইতিমধ্যেই ইঞ্জেক্ট করা হয়েছে একটি ডোজ । ২৮ দিনের মধ্যে আরও একবার একই ডোজ পুনরায় দেওয়া হবে। চিকিৎসকরা জানান, যদি পরীক্ষা সফল হয়, সেক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জন্য এই ভ্যাক্সিন বাজারে আসতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। কমপক্ষে অন্তত ২ বছর।