গল্প কুটির ওয়েব ডেস্ক|
বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার ক্রমে বেড়েই চলেছে। সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়তি সতর্ক করা হচ্ছে এই ভাইরাস সম্বন্ধে। ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’ বা ‘হু’ এর তরফে এই রোগের উপসর্গ এবং প্রতিকার বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এদেশেও সরকারি তরফে হু-এর সেই নির্দেশিকা প্রাচার করা হয়েছে। করোনার সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। তবে কিছু মানুষ এখনো পর্যন্ত সচেতন নয়, তারা কোনোরকম নির্দেশিকা না মেনেই বাড়ির বাইরে অবিরাম যাওয়া-আসা করছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে আক্রান্তের হার। আর এমন পরিস্থিতিতেই উঠে আসলো করোনার সংক্রমণের নতুন কিছু উপসর্গ।
করোনাভাইরাসের নতুন সেই উপসর্গগুলির কথা জানানো হয়েছে আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষক সংস্থা, ‘সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’ (সিডিসি) –এর পক্ষ থেকে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যে আবার সেই নতুন উপসর্গগুলির কোনো উল্লেখ নেই। ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র তথ্য অনুযায়ী, কোভিড-১৯ সংক্রমণের উপসর্গ ছিল জ্বর, শুষ্ক কাশি, ক্লান্তি, পেশীর ব্যথা, এবং মাথা যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা এবং কিছু ক্ষেত্রে ডায়রিয়া।
মার্কিন স্বাস্থ্য সংস্থা ‘সিডিসি’ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন রোগের বিষয়ে গবেষণা এবং নজরদারি চালায়। ‘সিডিসি’-এর তথ্য অনুযায়ী, নোভেল করোনা ভাইরাসের উপসর্গগুলি হল কাশি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর, পেশীর ব্যথা, মাথা যন্ত্রণা, গলা ব্যথা ছাড়াও শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া, শীতের সঙ্গে কাঁপুনি এবং স্বাদ ও ঘ্রাণশক্তি নষ্ট হওয়া।
সডিসির ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, সাধারণত করোনা আক্রান্তদের একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। আর সেই উপসর্গগুলি প্রকট হয় আক্রান্ত হওয়ার ২ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে। তবে ওই উপসর্গগুলির সবগুলোই যে আক্রান্তের মধ্যে প্রকট হবে তা নয়। গুরুতর বা অন্য যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে কোনোরকম ঝুঁকি না নিয়ে যাথসময়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
যেহেতু সার্স-কোভ ২ (SARS-Cov 2) বা কোভিড-১৯ প্রথমে চিনে দেখা দেয়, তারপর তা ছড়িয়ে পড়ে সারা বিশ্বে। আর ক্রমে তা মহামারীর রূপ ধারণ করেছে। বিভিন্ন সময়ে নিজের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে এই মারণ ভাইরাস। তার উপর এই ভাইরাসটি কীভাবে ছড়াল তা নিয়েও রয়েছে বহু জল্পনা। তাই আরও সতর্ক হতে সারা বিশ্বজুড়ে চলছে করোনাভাইরাস নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা। সেই থেকে উঠে আসছে নতুন নতুন বিভিন্ন তথ্য। তাই সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকতে মেনে চলুন প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা।

