গল্প কুটির ওয়েব ডেস্ক|
কনকনে ঠাণ্ডা তার উপর রবিবার। কোথাও বেড়ানোর প্ল্যান না থাকলেই সারাদিন পেটপুরে খাওয়া আর কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুম। তবে দিনের শেষে একটাই চিন্তা মাথায় আসে… কাল সোমবার! সকালে তাড়াতাড়ি উঠে কতটা পথ জার্নি করে আফিস যেতে হবে! আর বাড়ি থেকে অফিসের দূরত্ব যদি অনেক বেশি হয়, তাহলে অফিস পৌঁছাতেই লেগে যায় দীর্ঘ সময়। তারপর অফিস পৌঁছে কাজ করতে বিরক্তি লাগে। কি ঠিক বললাম তো?
শুধু শীতকাল বলেই নয়। বছরের অন্যান্য সময়েও কর্মস্থানে পৌঁছাতে অনেক বেশি সময় লাগা মানেই কাজের প্রতি জন্মায় বিতৃষ্ণা। এর জন্য একমাত্র দায়ি দীর্ঘ পথ যাত্রা। দিনের পর দিন বাড়ছে জনসংখ্যা হার, তার সঙ্গে একইভাবে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা। যার মধ্যে মেট্রোপলিটন শহরগুলিতে যানবাহনের সংখ্যা আরও বেশি। এর ফলস্বরূপ রাস্তায় যানজটের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাফিক জ্যাম অতিক্রম করার পর অফিসে পৌঁছাতে লেগে যায় কয়েক ঘণ্টা। আর এর জন্যই মানসিক হয়রানির শিকার হন কর্মীরা।
এছাড়াও জানা গেছে, যত বেশি সময় ধরে কোনো ব্যক্তি অফিস পৌঁছায়, সেই ব্যক্তির কাজের প্রতি সন্তুষ্টিও ততটাই কম হয়।
‘হার্ভাড বিজনেজ রিভিউ’-এর একটি রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ইংল্যান্ডের একদল গবেষক একটি গবেষণায় জানতে পারেন কর্মস্থলে পৌঁছানোর জন্য অতিবাহিত সুদীর্ঘ সময় এবং ভালবেসে কাজ করার মধ্যে একটি সম্পর্ক রয়েছে। তাঁদের মতে, কর্মস্থলে পৌঁছাতে যত বেশি সময় লাগে তার প্রতি বাড়তি ১ মিনিটে সেই ব্যক্তির মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। যার ফলে কাজ হয়ে ওঠে তার কাছে অসহ্য। সেইমতো অফিস পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাড়তি ২০ মিনিট সময় অতিবাহিত করলে তা কর্মীর মনে প্রভাব ফেলে প্রাপ্য মাইনের ১৯ শতাংশ কেটে নেওয়ার মতো। এর ফলে সেই কর্মীর কাজের প্রতি অনিহা বাড়তে থাকে।
তথ্যসূত্রঃ হার্ভাড বিজনেজ রিভিউ
