গপ্ল কুটির ওয়েব ডেস্ক|
ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ পৃথিবীকে গ্রাস করে ফেলছে করোনা। বিশ্বজুড়ে চারিদিকে চলছে মৃত্যু মিছিল। এই পরিস্থিতি থেকে মানব জাতিকে রক্ষা করেতে ডাক্তার এবং গবেষকরা প্রাণপণে চেষ্টা করে চলেছেন। এই মারণ ভাইরাসকে নির্মূল করতে প্রতিটি দেশই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। এই মুহূর্তে ভারতে করোনা সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা ১২৬ জন এবং মৃত ৩জন। এই বিপদ থেকে মুক্তি পেতে মানুষ ব্যবহার করছে মাস্ক। এই কদিনে মাস্কের ব্যবহার এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে বাজারের বেশীরভাগ দোকানেই মাস্ক আউট অব স্টক। সুযোগ বুঝে অনেক অসাধু ব্যাবসায়িরা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছে সস্তার মাস্কগুলি। রাস্তাঘাটে তো বটেই, কিছু মানুষজন বাড়িতে থাকলেও মাস্ক ব্যবহার করছে। তবে মাস্ক পরলেই কি আপনি সুস্থ থাকবেন? কখনই না, হতে পারে উল্টোটা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ থেকেও মাস্ক পরলে বাড়বে বিপদ। নিজের অজান্তেই অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন মাস্ক ব্যবহারকারীরা। সম্প্রতি এ বিষয়ে নির্দেশিকাও জারি করেছে কেন্দ্র।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র সার্জিক্যাল মাস্ক নয় ‘এন-৯৫’ এর মতো মাস্কও বেশিক্ষণ পরে থাকলে হিতে বিপরীত হতে পারে। মাস্ক পরার পরেও নাক ও মুখের মধ্যে যেটুকু জায়গা ফাঁকা থাকে তার মধ্যে দিয়ে সহজেই ঢুকে পড়তে পারে করোনার মতো অতিক্ষুদ্র ভাইরাসইগুলি। তাই এই মাস্ক পরা মানেই সুস্থ থাকবেন তা একেবারেই ভুল ধারণা। আর এন-৯৫ জাতীয় মাস্কে নাক মুখ পুরোটাই বদ্ধ থাকে। ওই ধরণের মাস্ক বেশিক্ষন পরে থাকলে দেখা দিতে পারে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা। এই মাস্ক পরলেও করোনার মতো সংক্রমণ সম্পূর্ণভাবে রোখা সম্ভব নয়। তাই খুব প্রয়োজন না পড়লে মাস্ক পরবেন না।
মাস্ক কখন ব্যবহার করবেনঃ
- জ্বর সর্দি-কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিলে। (যাতে আপনার থেকে সংক্রমণ না হয়)
- যদি আপনি করোনা-আক্রান্ত কোনও ব্যাক্তির সেবা করেন।
- আপনি যদি একজন স্বাস্থ্যকর্মী হন এবং শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার রোগীদের চিকিৎসা করেন।
