গল্প কুটির ওয়েব ডেস্ক|
লকডাউন চলাকালীন মানুষ ভাতের যোগান পেলেও অনেকের জন্যই মাছ দুঃসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকালে বাজারে যেতে একটু দেরি হলেই মাছ শেষ! এক এক জায়গায় আবার মাছ পাওয়া গেলেও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। একেই কাজ নেই তার উপর এত দাম! ফলে অনেকেই মাছ কিনতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগমের তরফে শহরবাসীর কাছে মাছ পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে।
একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি করে মাছের যোগান দেবে রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগম। এমনকি বিভিন্ন বাজারেও বিক্রি করা হবে তাদের মাছ । শুধু তাই নয়, যারা বাড়ি থেকে বেরোতে চাইছেন না বা বয়স্ক মানুষ, তাদের জন্য রয়েছে অ্যাপের (এসএফডিসি) ব্যবস্থা। নিগমের সেই বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করে ঘরে বসেই মাছ কেনা যাবে। তবে হোম ডেলিভারির জন্য অতিরিক্ত ২৫ টাকা খরচ পড়বে।
নিগমের তরফ থেকে ন্যায্য দামে চিংড়ি, রুই, কাতলা, পার্শে ইত্যাদি মাছের যোগান দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, সল্টলেক, টালিগঞ্জ, ত্রিধারা, হাতিবাগান, যাদবপুর, বেলগাছিয়া এবং যোধপুর পার্কের বিভিন্ন জায়গায় ইতিমধ্যেই ১০টি গাড়িতে করে মাছ বিক্রি করা হয়েছে। ৩০ মার্চ থেকে এই কাজে আরও দশটি গাড়ি মজুত থাকবে। আরও জানা গিয়েছে, গত ২৮ মার্চ নিগমের নলবন জলাশয় থেকে প্রায় ৩০০ কেজি মাছ ধরা হয়েছে। আগামী ৩০ মার্চ, সোমবার থেকে সারা কলকাতা ঘুরে নিগমের গাড়ি মাছ বিক্রি করবে। এই পরিষেবা চালু থাকবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।
করোনা সংক্রমণ রুখতে লকডাউন চলাকালীন রাজ্যের তরফে এমন পরিষেবা পেলে, সকলে যে উপকৃত হবেন সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এক্ষেত্রে অ্যাপের সুবিধা থাকায় সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কাও কমবে বলে আশা করা যায়।
তবে শুধু কলকাতায় নয়, রাজ্যের অন্যান্য জায়গাতেও এভাবেই মাছের যোগান দিচ্ছে রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগম। গত ২৮ মার্চ থেকে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে নিগমের তরফে মাছ বিক্রি করা শুরু হয়ে গিয়েছে।
ছবিঃ পিক্সাবে এবং এসএফডিসি ওয়েবসাইট


কমেন্টস
Facilities only for saltlake people and for kolkata corporation area only..we live in barrackpore and tried to book..but not helping… there written only saltlake and kolkata corporation area only